সভাপতির বাণী

উন্নত পরিবেশে নারীশিক্ষা প্রসারের এক মহান ব্রত নিয়ে ১৯৮৭ সালের ১ জুলাই রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। বন্দরনগরী ভৈরবের বাণিজ্যিক কোলাহল থেকে দূরে, শহরতলির নিরিবিলি মনোরম বৃক্ষশোভিত এক অনবদ্য সুন্দর পরিবেশে এই কলেজের অবস্থান। রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজ ছাত্রীদের উন্নত আদর্শে শিক্ষাদান, চরিত্র গঠন ও মনুষ্যত্ব বিকাশের কাজে নিবেদিত একটি ব্যতিক্রমী প্রতিষ্ঠান। আমরা মনে করি সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ অনেক আশা নিয়ে তাদের সন্তানদের শিক্ষার ভার আমাদের ওপর অর্পণ করেন। এই আশা ও প্রত্যাশা পূরণ করার লক্ষ্যে কলেজো আপ্রাণ চেষ্টা করে।শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের ভিত্তি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে শ্রেণী কার্যক্রম ও অনুশীল, সাহিত্য- সংস্কৃতি চর্চা, গঠনমূলক বিনোদন, সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, সহ-পাঠক্রমিক কার্যাবলি প্রভৃতি কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীকে নিরন্তর ব্যাপৃত রেখে তার মেধা ও অমিত সম্ভাবনাকে বিকশিত করা হয়।

কলেজ পরিচালনা পরিষদের সুদক্ষ দিকনির্দেশনায় এবং কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সৃজনশীল সমাজকর্মী আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম-এর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় স্বল্পসময়ে সুরম্য একাডেমিক ভবন, অত্যাধুনিক ছাত্রীনিবাস, আধুনিক বিজ্ঞানাগার, সমৃদ্ধ পাঠাগার ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপিত হয়েছে। এই কলেজে রয়েছে বিভিন্ন বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষকের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একদল নিবেদিতপ্রাণ, কর্মচঞ্চল, সৃষ্টিশীল শিক্ষক যাঁদের তত্ত্বাবধানে ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় কলেজের ছাত্রীরা স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বসম্পন্ন সুনাগরিক হয়ে ওঠে। ২০০৬ সালে রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজে ডিগ্রি (পাস) ও পাঁচটি বিষয়ে অনার্স কোর্স খোলা হয়েছে।

একবিংশ শতাব্দীর প্রতিযোগিতাময় বিশ্বপ্রেক্ষাপটে সুশিক্ষার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে আমরা সংকল্পবদ্ধ। অফুরন্ত সম্ভাবনাময় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সঠিক পথের নির্দেশনা দিয়ে জাতির যোগ্য উত্তরাধিকারী সৃষ্টি করতে হবে। আমরা শিক্ষার্থী ছাত্রীদের সুন্দর জীবন ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখাতে চাই।সেই লক্ষ্যে আমরা সকল সম্মানিত অভিভাবক ও সচেতন জনগোষ্ঠীর মূল্যবান সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।


আলহাজ্ব নাজমুল হাসান
জাতীয় সংসদ সদস্য, কিশোরগঞ্জ-৬
সভাপতি, কলেজ গভর্নিং বডি