প্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধা সমূহ

(আবাসিক/অনাবাসিক)

একটি ব্যতিক্রমধর্মী নারীশিক্ষা বিদ্যাপীঠ

অন্যান্য সুবিধাদি :

১. কলেজ গ্রন্থাগারিক : রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজের সমৃদ্ধ গ্রন্থাগারটি ভৈরবের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী হাজী মোৰ ফুল মিঞার নামে নামকরণ করা হয়েছে। এই লাইব্রেরি ছাত্রী ও শিক্ষকণ্ডলী জ্ঞানের আঁধার। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পাঠ্যপুস্তক ছাড়াও বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন গ্রন্থের সমাবেশ ঘটেছে। এই গ্রন্থাগারকে আধুনিকীকরণ করার জন্য কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।

২. তত্ত্বাবধায়ক শিক্ষক/গাইড টিচার: এই কলেজের একটি ব্যতিক্রমী দিক হচ্ছে এখঅনে প্রতি ১৫/২০ জন ছাত্রীর জন্যে ১(এক) জন শিক্ষক তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত হন, যিনি ছাত্রীর রিপোর্ট কার্ড সংগ্রহ থেকে শুরু করে ছাত্রীর অভিভাবকের সাথে যোগাযোগপূর্বক শিক্ষার্থীকে সু-পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে ভাল ফলাফলের জন্যে সহযোগিতা করে থাকেন। হোস্টেলে অবস্থঅনরত ছাত্রীকে চারজন মহিলা শিক্ষক পরাশুনার অগ্রগতি তত্ত্বাবধান করেন।

৩. ছাত্রীনিবাস : এই কলেজের রয়েছে একটি সুশৃংঙ্খল ও আধুনিক ছাত্রীনিবাস যাতে ৬০০ (ছয়শত) জন ছাত্রী অবস্থান করতে পারে। ছাত্রীনিবাসে অবস্থঅনরত ছাত্রীদের পাশেল হার ৯০%। কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক হোস্টেল ভবনটিতে ছাত্রীদের পড়াশোনার সুন্দর পরিবেশ রয়েছে। সার্বক্ষণিক হোস্টেল সুপার ও মহিলা শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে হোস্টেলটি সুচারুভাবে পরিচালিত হয়। হোস্টেলের খরচ মাসিক সর্বচ্চো ২৩০০ টাকা। মেধা অনুসারে আসন বরাদ্দ করা হয়।

৪. জেনারেটর : কলেজ হোস্টেলে ২০০৪ সালে যুগন্তকারী পদক্ষেপ জেনারেটর সংযোজন। ফলে ছাত্রীরা ২৪ ঘন্টা বিদ্যুতের সুবিধা পাবে। পড়াশোনার কোন ব্যাঘাত ঘটবে না।

৫. উপবৃত্তি: সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ২.৫০ কিংবা তদুর্ধ্ব জিপিএ প্রাপ্ত নিয়মিত ছাত্রীদের মধ্যে ৪০% ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হবে।

৬. ক্যান্টিন : ২০০৪ সালে ক্যান্টিন ও জেনারেল স্টোস নির্মাণ করে ছাত্রীদের দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ করা হয়েছে। এখণ ছাত্রীরা নাস্তা কিংবা যে কোন শিক্ষাসামগ্রী/পণ্য কলেজ ক্যাম্পাসেই ক্রয় করতে পারবে।